অন্য রকমের এক ভাল লাগা কাজ করে যখন আমি লায়লার কথা ভাবি। অনেক বছর হয়ে গেল, কিন্তু লায়লাকে ভুলতে পারি নি। ভার্সিটি শেষ করে আমি এখনও একা। চা...

0 Comments

অন্য রকমের এক ভাল লাগা কাজ করে যখন আমি লায়লার কথা ভাবি। অনেক বছর হয়ে গেল, কিন্তু লায়লাকে ভুলতে পারি নি। ভার্সিটি শেষ করে আমি এখনও একা। চাকুরি করছি একটা সরকারি প্রতিষ্ঠানে। লায়লার সম্পর্কে একটু ধারনা দেই। লম্বা, ফর্সা আর অন্য রকমের দৈহিক গড়ন। একদম পারফেক্ট ফিগার।ওকে আমি ভালবাসি কিনা তা জানি না। তবে লায়লাকে রাতের বেলায় খুব যে চাইতাম তা বুঝতে পারতাম খুব বেশি।বাসের জন্য দাড়িয়ে আছি অনেকক্ষণ। দেখতে দেখতে বাসের লাইনটা অনেক বড় হয়ে গেল। বাস যখন আসল, আমি উঠতে যাচ্ছি, আমকে পেছন থেকে একটি মেয়ে ডাকতে লাগল। পেছন ফেরে দেখি লায়লা ডাকছে। লাইন থেকে সরে দাড়ালাম। বাস মিস! হাতে সময় অনেক কম। অফিস এ আজকে আবার দেরি হয়ে যাবে বলে মনে হচ্ছে।



“আরে, লায়লা যে, হোয়াট এ সারপ্রাইস, যাচ্ছ কথায়, কি কর?” আমার এই সকল কথায় লায়লা বলল, “আরে দাড়াও দাড়াও, তোমার সব কথার উত্তর দিচ্ছি, তার আগে আমার গাড়িতে আসো”। আমি কিছু বলার অপেক্ষা না করেই লায়লা আমার হাত ধরে রাস্তা পার হতে লাগলো। আমি কিছুই বুঝতে পারছি না, এইটা কি সেই লায়লা, আমি যাকে অনেক চেয়েছি নিজের মত করে কাছে পেতে?শেষ পর্যন্ত আমার অফিস এ যাওয়া হয়নি। অফিস এর সিনিয়রকে বলে দিয়েছি আজকে যেতে পারছি না কারন একটাই, শরীর খারাপ। আমি এখন একটা ঘোরের মধ্যে আছি। লায়লা আমাকে নিয়ে শপিং এ চলে গেল। আমি না করতে পারলাম না। “তোমাকে মাঝে মাঝে আমি গাড়ির ভিতর থেকে দেখতে পাই, প্রথমে বুঝতে পারি নি যে এটাই তুমি, দুই তিন দিন দেখার পর কনফার্ম হলাম। তাই আজকে তোমাকে এভাবে নিয়ে এসেছি, তুমি রাগ করোনিতো?” আমি না বলার সাহস করলাম না।শপিং শেষ করে আমরা একটা রেস্টুরেন্ট এ গেলাম দুপুরের খাবার খেতে। খেতে খেতে লায়লা আমাকে বলতে লাগল তার ভার্সিটির পরের কথা।

লায়লার বিয়ে হয়ে গেছে একজন বিশাল ব্যবসায়ীর সাথে। ব্যবসার কাজে প্রায়ই বাইরে থাকে। লায়লা তার সময় কাটায় তার স্বামীর টাকা দিয়ে। এই রকম চলতে চলতে লায়লা ক্লান্ত হয়ে গেছে। তারপর আমার কথা জানতে চাইল। আমি লায়লাকে বললাম তোমার বিরহে আমি বিয়ে-টিয়ে কিছুই করি নি। লায়লা হা হা করে হেসে উঠলো। দেখতে যে কি সুন্দর লাগছিলো, তা বঝাবার নয়। লায়লা আমাকে তার বাসার ঠিকানা আর ফোন নাম্বার দিলো। আমি বিকালের মধ্যাই বাসায় চলে আসলাম। কিন্তু কেন জানি কিছুতেই ভাল লাগছিল না। আমি অস্থির হয়ে গেলাম। থাকতে না পেরে ফোনে করলাম লায়লাকে। “হ্যালো লায়লা? ভাল আছো? শোন তোমার সাথে কিছু কথা ছিল”। লায়লা বলল “তুমি যদি ফ্রী থাকো তাহলে আমার বাসায় চলে আসতে পারো”। আমি বললাম “এখন?” কেনো নয়? চলে আসো, বাসায় কেও নেই।আমি এখন লায়লার বাসায়।

বসে আছি দুজনে মুখোমুখী। কারো মুখে কথা নেই। আমি লায়লার পাশে গিয়ে বসলাম। লায়লার হাত ধরে বললাম, “লায়লা, তোমাকে আমি কতো যে খুজেছি, কতো যে চেয়েছি, বলে বঝাতে পারব না”। লায়লা মুখে কিছু না বলে আমার ঠোটে আলতো করে চুমু খেলো। বলল “আমাকে বোঝাতে হবে না, আমি সব জানি। আমি এখন পর্যন্ত আমার স্বামীর আদর উপভোগ করতে পারিনি। তুমি কি পারবে আমার না চাওয়ার বেদনা ভুলিয়ে দিতে?” এর পর আমাকে আর কিছু বলতে হয়নি। একের পর এক চুমু দিতে দিতে আমাকে গরম করে দিলো। আমিও লায়লাকে আদর করতে লাগলাম। দুজনের মাঝথেকে সমশ্ত বাধা সরে গেল। লায়লার মুখে, বুকে, গুদে সব জায়গায় আমি আমার মতো করে আনন্দ দিলাম।



You may also like

কোন মন্তব্য নেই: